দীনেশচন্দ্র সেন

দীনেশচন্দ্র সেন – বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাস রচনার

                    পথিকৃত

এই পর্বে চিনতে চাইছি এমন একজনকে, যিনি প্রথম শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে বাঙালি জীবনের অখন্ড চালচিত্র নির্মাণ করতে চেয়েছিলেন, যিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাস রচনার পথিকৃত ।  তিনি পন্ডিত দীনেশচন্দ্র সেন । এ’ বছর তাঁর জন্মের সার্ধ-শতবর্ষ

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৩৪এ  প্রকাশিত দীনেশচন্দ্রের শেষ গ্রন্থ ‘বৃহৎ বঙ্গ’ বঙ্গ সংস্কৃতির মহাকোষ তো বটেই, প্রকৃত প্রস্তাবে বলা চলে বঙ্গ সংস্কৃতির আবিস্কার । সুপ্রাচীন কাল থেকে পলাশীর যুদ্ধ পর্যন্ত বাঙ্গালির কৃষ্টির প্রথম সর্বাঙ্গীন সর্বেক্ষন । এই বিস্তীর্ণ সময়কালের বাঙালি জাতির রাষ্ট্র,সমাজ,সাহিত্য,ধর্ম, ব্যবসা-বানিজ্য, কলা শিল্প, যুদ্ধ-বিগ্রহ প্রভৃতি সমস্ত বিষয়ের ধারাবাহিক গবেষণালব্ধ ইতিহাস লিপিবদ্ধ করেছেন দীনেশচন্দ্র শুধুমাত্র রাজা-রাড়া ও অভিজাত বর্গের জীবন যাপন অবলম্বন করে তিনি সাহিত্যের ইতিহাস রচনা করেননি, সাধারণ মানুষের ক্রিয়া-কর্ম, আচার-বিশ্বাস, প্রথা-সংস্কার মিলিয়ে নির্মাণ করতে চেয়েছিলেন বাঙালি জীবনের অখন্ড চালচিত্র দুই খন্ডের প্রায় দু’হাজার পৃষ্ঠার ‘বৃহৎ বঙ্গ’ গ্রন্থে ।

পায়ে হেঁটে বাংলার প্রত্যন্ত পল্লীগ্রাম থেকে অসংখ্য প্রাচীন ও দুষ্প্রাপ্য পুঁথি, পটচিত্র, মূর্তি সংগ্রহ করেছিলেন দীনেশচন্দ্র, যেগুলি ছিল তাঁর সাহিত্যের ইতিহাস ও বৃহৎবঙ্গ রচনার উপকরণ । তীব্র বাঙালিত্ব বোধই তাঁকে বাঙালির ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাস অন্বেষণ ও রচনায় প্রবৃত্ত করেছিল তাঁর অনন্যকীর্তি ‘বঙ্গভাষা ও সাহিত্য’র ভূমিকার একদম প্রথমেই দীনেশচন্দ্র জানিয়েছেন “একদিন আমার পুস্তকাধারস্থিত অতিজীর্ণ, গলিতপত্র, প্রেমাশ্রুর নীরব নিকেতন চন্ডীদাসের গীতি কবিতাগুলি পড়িতে পড়িতে প্রাচীন বঙ্গ-সাহিত্যের একখানি ধারাবাহিক ইতিহাস লিখিতে ইচ্ছা জন্মে বৈষ্ণব কবিগণের গীতি, কবিকঙ্কণের চন্ডীকাব্য, ভারতচন্দ্রের অন্নদামঙ্গল, কেতকাদাস ক্ষেমানন্দের মনসামঙ্গল ও অপর কয়েকখানি বটতলার ছাপা পুঁথিমাত্র আমার সম্বল ছিল, আমি তাহা পড়িতাম ও কিছু কিছু নোট সংগ্রহ করিয়া রাখিতাম” ।

১৮৯২এর ফেব্রুয়ারিতে কলকাতার ‘পিস এসোসিয়েশন’ বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও পরিপুষ্টি’বিষয়ে একটি প্রবন্ধ রচনা আহ্বান করে । দীনেশচন্দ্র এই বিষয়ে একটি সংক্ষিপ্ত প্রবন্ধ রচনা করেন প্রবন্ধটি শ্রেষ্ঠ লেখা নির্বাচিত হয় এবং কৃতিত্বের স্বীকৃতিতে  দীনেশচন্দ্র ‘ঈশ্বরচন্দ্র রৌপ্য পদক’ লাভ করেন । এই সময় একটি প্রাচীন বাংলা পুঁথি তাঁর হাতে আসে এবং জানতে পারেন চট্টগ্রাম ও ত্রিপুরার প্রত্যন্ত পল্লীতে এমন অনেক প্রাচীন পুঁথি জীর্ণ অবস্থায় অনাদরে রয়েছে । দীনেশচন্দ্র পায়ে হেঁটে ত্রিপুরা, নোয়াখালি, শ্রীহট্ট, ঢাকা জেলার প্রত্যন্ত পল্লী থেকে অনেক প্রাচীন পুঁথি সংগ্রহ করেন । তখনকার প্রায়ান্ধকার, নানান সংস্কারে আচ্ছন্ন, যোগাযোগহীন বাংলার প্রত্যন্ত পল্লীতে পল্লীতে ঘুরে অনাদরে পড়ে থাকা জীর্ণ হাতেলেখা পুঁথি সংগ্রহ কি দুরূহ কাজ ছিল তার একটি বিবরণ দীনেশচন্দ্রের বয়ানে উদ্ধার করি । বঙ্গভাষা ও সাহিত্যের ভূমিকায় সেই বিবরন দিয়েছেন ত্রিপুরার এক পল্লিতে কাশিরাম দাসেরও আগে রচিত নিত্যানন্দ ঘোষের মহাভারতের আদিপর্ব’র সন্ধান পেয়েছিলেন, কিন্তু সংগ্রহ করতে পারেন নি । তিনি লিখছেন – “ত্রিপুরা সদরের নিকটবর্তী রাজপাড়া নামক গ্রামে এক ধোপার বাড়ীতে আমরা এই পুঁথি পাইয়াছিলামআমি ও এশিয়াটিক সোসাইটির পন্ডিত বিনোদবিহারী কাব্যতীর্থ এই পুস্তকের জন্য ধোপাকে ২৫টাকা দিতে সম্মত হইয়াছিলাম, কিন্তু সে পৈত্রিক পুঁথি দিতে স্বীকার করে নাই; দুর্ভাগ্যক্রমে তাহার কিছুদিন পরেই গৃহদাহে এই পুঁথি নষ্ট হইয়া যায়” ।

 দীনেশচন্দ্রের শেষ কীর্তি বাঙ্গালির কৃষ্টি, সংস্কৃতির মহাকোষ ‘বৃহৎবঙ্গ’ রচনার পেছনেও রয়েছে তাঁর তীব্র বাঙ্গালিত্ব বোধ । বৃহৎবঙ্গ গ্রন্থের ভূমিকায় দীনেশচন্দ্র লিখেছেন “আমি বাঙ্গলা দেশ অপেক্ষা পুণ্যতীর্থ জানি না, বাঙ্গলা ভাষা যাহা আমি মাতার নিকট শিখিয়াছি, যাহাতে আমার স্ত্রীপুত্রপকন্যা কথা বলিয়া আমার শ্রবণে অমৃত ঢালিয়া দিতেছে সেই ভাষার মত এমন সুমিষ্ট ও সুশ্রাব্য আর কোন ভাষা আমি জানি না;... বাঙ্গলা সাহিত্যের মত এমন ভাব ও কবিত্বের খনি আমি কোথাও পাই নাই । আমি বিশ্বপ্রেমিক নহি, আমি একান্তভাবে প্রাদেশিক ; তাহাতে কেহ যদি মনে করে আমি যুগোপযোগী নহি, আমি ক্রম বর্ধিষ্ণু অগ্রগতিশীল সভ্যতার পশ্চাৎ-ভাগে কূপমন্ডুক হইয়া পড়িয়া আছি, - তবে আমি প্রতিবাদ করিব না আমি তাহাই । আমার একমাত্র গর্ব আমি মায়ের ছেলে – তাঁহার হাতের ধান-দূর্বা ও আশিসের অপেক্ষা আমার কাছে বড় কিছুই নাই”

জন্ম ১৮৬৬ খৃষ্টাব্দের ৩রা নভেম্বর ঢাকা জেলার বড়জুরি গ্রামে মাতুলালয়ে । পিতা ঈশ্বরচন্দ্র সেন , আদি নিবাস ঢাকা জেলার সুয়াপুর গ্রামে । ঢাকার জগন্নাথ স্কুল থেকে এন্ট্রান্স (১৮৮২) ও ঢাকা কলেজ থেকে এফ এ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে শিক্ষকতা শুরু করেন ।  শিক্ষক থাকাকালীন তিনি প্রাইভেটে ইংরাজিতে অনার্স সহ স্নাতক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন । ১৮৯১তে কুমিল্লার ভিক্টোরিয়া স্কুলে প্রধাণ শিক্ষকের পদ গ্রহণ করেন ২৫ বছর বয়সে । এমন বিশাল পান্ডিত্য যার, তিনি কিন্তু ছাত্রজীবনে পাঠ্যপুস্তকের প্রতি বিশেষ অনুরাগী ছিলেন না । বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষায় উচ্চস্থান অধিকার করার কোন আগ্রহ দীনেশচন্দ্রের ছিল না । আগ্রহ  ছিল দেশ-বিদেশের সাহিত্য পাঠ ও সাহিত্যালোচনায় । প্রথমে মনস্থ করেছিলেন ইংরাজি সাহিত্যের ইতিহাস রচনা করবেন , কিন্তু  কুমিল্লায় থাকাকালীন তিনি প্রাচীন বাংলাসাহিত্য সম্পর্কে আগ্রহী হয়ে ওঠেন । সেই সময়য় বাংলা সাহিত্যেরও যে ইতিহাস রচনা করা যেতে পারে এমন ধারনা কারো মনেই আসেনি । তখন প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের নিদর্শন বলতে ১৮১৬ সালের পর মুদ্রিত ‘অন্নদা মঙ্গল’, চন্ডী মঙ্গল, মনসা মঙ্গল প্রভৃতি মঙ্গলকাব্য । তখনও বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন ‘চর্যাপদ’ অনাবিস্কৃতএই সময় দীনেশচন্দ্রের হাতে আসে একটি দুষ্প্রাপ্য প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের পুঁথি এবং তিনি জানতে পারেন চট্টগ্রাম ও ত্রিপুরার প্রত্যন্ত পল্লীতে এমন অনেক প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের হাতে লেখা পুঁথি আছে । দীনেশচন্দ্র পায়ে হেঁটে বাংলার প্রত্যন্ত পল্লীতে ঘুরে ঘুরে অজস্র পুঁথি সংগ্রহ করেন ও সম্পাদনা করে প্রকাশ করেন ।

দীর্ঘ ছয় বছরের ক্লান্তিহীন অনুসন্ধান, অধ্যয়ন ও শৃঙ্খলাবদ্ধ গবেষণার ফলশ্রুতি দীনেশচন্দ্রের অনন্যকীর্তি দুই খন্ডে ‘বঙ্গভাষা ও সাহিত্য’ প্রকাশিত হয় ১৮৯৬ সালে ত্রিপুরার মহারাজা বীরবিক্রম মাণিক্য দেববর্মনের অর্থানুকুল্যে । দীর্ঘ একশো বছর ধরে দীনেশচন্দ্রের এই অনন্য কীর্তি – আদি ও মধ্য যুগের বাংলা সাহিত্যের সুবিস্তৃত ইতিহাস ‘ক্লাসিক’এর মর্যাদা পেয়ে আসছে । বাঙালির চেতনালোকের সুশৃঙ্খল বৃত্তান্ত পেয়ে যাই ‘বঙ্গভাষা ও সাহিত্য’ গ্রন্থটি থেকে । এই গ্রন্থটিকে সরিয়ে রাখলে বাঙালির ভাষা ও সাহিত্যের কোন পাঠই সম্ভব নয় । বাংলাভাষা ও সাহিত্যের ইরিহাস রচনায় পন্ডিত দীনেশচন্দ্রই পথিকৃত ।

দীনেশচন্দ্র বঙ্গভাষা ও সাহিত্য রচনা শেষ করেন তাঁর ৩০ বছর বয়সে । তারপর প্রাচীন ও মধ্য যুগের বাংলা সাহিত্য নিয়ে অনেকগুলি গ্রন্থ রচনা করেন । ১৮৯৬ সালে দীনেশচন্দ্রের বঙ্গভাষা ও সাহিত্য প্রকাশের পর তাঁর কর্মজীবন ও গবেষণার ক্ষেত্রে একটি নতুন পর্বের সূচনা হয়। তিনি উপাচার্য স্যর আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের আহ্বানে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত হন। স্যার আশুতোষের আগ্রহে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএ পরীক্ষার বাংলা বিষয়ের পরীক্ষক (১৯০৫), পরে রীডার পদে (১৯০৯) যোগ দেন ১৯১০ সালে মনোনীত হন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য। কলকাতা বিশ্ববিফ্যালয়ের রিডার হয়ে বাংলা সাহিত্য বিষয়ে যে মূল্যবান বক্তৃতাগুলি দেন সেইগুলি সংকলিত হয়ে ১৯১১ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর হিসটরি অফ বেঙ্গলি ল্যাঙ্গুএজ এন্ড লিটারেচারগ্রন্থ।  এই গ্রন্থটির জন্য দীনেশচন্দ্র আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করেন । কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রামতনু লাহিড়ী রিসার্চ ফেলোশিপপেয়ে (১৯১৩) তিনি মৈমনসিংহ-গীতিকাসহ পূবর্ববঙ্গ-গীতিকা (চার খন্ড, ১৯২৩-১৯৩২) এবং এর ইংরেজি সংস্করণ চার খন্ডের ইস্টার্ন বেঙ্গল ব্যালাডস প্রকাশিত হয় । বস্তুত, বাংলার সমৃদ্ধ লোকসাহিত্যকে সম্ভাব্য বিলুপ্তি থেকে উদ্ধার করেছিলেন দীনেশচন্দ্র । ১৯২০ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যনামে একটি নতুন বিভাগ খোলা হলে দীনেশচন্দ্র সেই বিভাগের প্রধান নিযুক্ত হন বারো বছর তিনি যোগ্যতার সঙ্গে বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব পালন করে ১৯৩২ সালে অবসর নেন।

সৃজনশীল লেখক হিসেবেও দীনেশচন্দ্র সেন পালন করেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। বাংলা সাহিত্য বিষয়ে গবেষণামূলক ও ইতিহাসধর্মী গ্রন্থ প্রণয়ন, পৌরাণিক আখ্যান রচনা, লোকসাহিত্য সম্পাদনা ও বাঙালির ইতিহাস প্রণয়নের পাশাপাশি তিনি রচনা করেন কবিতা, উপন্যাস ও গল্প। সব মিলিয়ে তাঁর গ্রন্থ সংখ্যা ষাট । তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ: বঙ্গ-সাহিত্য পরিচয় (দুই খন্ড, সম্পাদনা: ১৯১৪), দি বৈষ্ণব লিটারেচার মিডিয়াভেল বেঙ্গল’ (১৯১৭), ‘ চৈতন্য এন্ড হিস কোম্প্যানিয়নস’ (১৯১৭), দি ফোক লিটারেচার অফ বেঙ্গল’ (১৯২০), ‘দি বেঙ্গলি রামায়ন’(১৯২০), ‘বেঙ্গলি প্রোস স্টাইল ১৮০০-১৮৫৭’ (১৯২১), ‘সরল বাঙ্গালা সাহিত্য (১৯২২), ঘরের কথা ও যুগসাহিত্য (১৯২২), ‘গ্লিমসেস অফ বেঙ্গল লাইফ’, (১৯২৫), বৃহৎ বঙ্গ (দুই খন্ড, ১৯৩৫), আশুতোষ-স্মৃতিকথা (১৯৩৬), বাংলার পুরনারী (১৯৩৯), প্রাচীন বাংলা সাহিত্যে মুসলমানের অবদান (১৯৪০)। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালতে রিডার রূপে আমন্ত্রিত হয়ে বাংলা সাহিত্যে মুসলিম অবদান বিষয়ে অনেকগুলি বক্তৃতা দিয়েছিলেন সেগুলিই তাঁর মৃত্যুর একবছর পরে প্রকাশিত হয় ‘বাংলা সাহিত্যে মুসলমানের অবদান’ নামে ।

শুধু যে অসংখ্য প্রাচীন দুষ্প্রাপ্য পুঁথি সংগ্রহ করেছিলেন তাই নয়, প্রাচীন শিল্পচর্চার পরিচায়ক অজস্র  নিদর্শন - অঙ্কন-শিল্প, পটচিত্র, প্রত্নসামগ্রীও সংগ্রহ করেছিলেন যেগুলির অধিকাংশ সংরক্ষিত আছে ত্রিপুরার মহারাজার মিউজিয়ামে এবং কিছু অংশ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আশুতোষ মিউজিয়াম’এ ।

১৯৩৯ সালের ২০শে নভেম্বর কলকাতার বেহালার বাসভবনে তিয়াত্তর বছর বয়সে মৃত্যু হয় জ্ঞানতাপস দীনেশচন্দ্র সেনের ।

 

 

 

 

 

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

বাংলা গানের সেকাল একাল : পর্ব ১৬

  অন্য ধারার গান : গণসঙ্গীত ও সলিল চৌধুরী     গত শতকের চল্লিশের দশকে গণনাট্য আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আর একটি সঙ্গীতধারা সমৃদ্ধ করেছিল বাংলা কা...